ফোনের মান বিশ্লেষণ করবেন যে ৫ বিষয় মাথায় রেখে

একটা সময় ছিলো যখন স্মার্টফোন মানেই হাতে গোনা কয়েকটি মডেল ছিলো। তবে দিন পালটে এখন বাজারে যে কী পরিমান স্মার্টফোন লঞ্চ করা হচ্ছে তার হয়তো অন্ত খুজে পাওয়া যাবে না । কোনোটা গেমিং , কোনো টা ক্যামেরা ফোন আবার কোনোটা কন্টেন্ট স্ট্রিমিং !

বাজারে একদিনে কি পরিমান ফোন লঞ্চ হচ্ছে তার হিসেব হয়তো কম্পানীর ব্যাক্তিবর্গরাও জানেন না । সুতরাং টেকনোলজির এই স্বর্ণ যুগে সে স্মার্টফোন গুলোকে বিচার বিশ্লেষণ করার দক্ষতাও থাকতে হবে !

একটি স্মার্টফোনকে বিচার বিশ্লেষণ করে মান নির্ধারণ করতে হবলে আপনাকে ৫ টি বিষয় বেশী নজর দিতে হবে ।

১।ডিজাইন

২।ডিসপ্লে

৩। ক্যামেরা

৪।পারফর্ম্যান্স

৫।ব্যাটারী এবং চার্জার

ডিজাইনঃ
স্মার্টফোনগুলো এখনকার সময় আমাদের রুচির বহিপ্রকাশ হিসেবে কাজ করে । পারফর্ম্যান্স যাই হোক না কেনো একটা প্রিমিয়াম লুকের স্মার্টফোন না কিনলে লোকে “ক্ষ্যাত” ছাড়া অন্য কিছু ভাববে না । সত্যি বলতে আমাদের দেশের বাজারে যে স্মার্টফোন গুলো লঞ্চ হয় সেগুলোর ডিজাইন বেশ রুচি সম্মত । কিছু ফোন বাদে অধিকাংশ ফোনে ডিজাইন নিয়ে কমপ্লেন করার কিছু থাকে না ।

ডিসপ্লেঃ
ফোনের ডিসপ্লের উপর একটি ফোনের অনেক কিছু নির্ভর করে । ডিস্প্লে যেনো হাতের সাথে মানান সই হয় অর্থাট এক হাত দিয়ে যেনো এটিকে কন্ট্রোল করা যায় সে ব্যাপারে নজর রাখতে হয় । একই সাথে এতে কি ধরণের প্রটেকশন ব্যবহার করা হয়েছে , দৈনন্দিন কাজ করতে গিয়ে টাচিং পারফর্ম্ম্যান্স কেমন সেদিকেও নজর রাখতে হবে । এক হাতে ফোন নিয়ে ফিঙ্গার প্রিন্ট পর্যন্ত রিচ করা সম্ভব কিনা এই বিষয় গুলো লক্ষ করে একটি ফোনের ডিসপ্লেকে বিশ্লেষণ করা হয় ।

ক্যামেরাঃ
একটি স্মার্টফোন যে সকল ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত হয় তার ভেতরে ফটো ক্লিকিং অন্যতম । এমন কি অনেকে কেবল মাত্র ছবি তোলার জন্য ভালো মানের একটি ক্যামেরা পারফর্ম বেসড ফোন কিনে থাকেন । ফোনের ক্যামেরা গুলোর মেগা পিক্সেলস বেশী হলেই যে ভালো কুয়ালিটি ফুল ছবি তোলা যাবে ব্যাপারটি তেমন না । অনেক সময় ১২ বা ১৬ মেগা পিক্সেলের ক্যামেরা ব্যবহার করে একটি সুন্দর ছবি তোলা সম্ভব । সামনের সেলফি ক্যামেরার যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে । কেননা সেলফি তোলার ক্ষেত্রেও একটি মানসমপন্ন ভালো সেলফি ক্যামেরা না হলেই হয় ।

এবার কথা বলা যাক পারফর্ম্যান্স নিয়ে
ফোনের র‍্যাম, রোম এবং প্রসেসর এই ৩ টি বিষয়ের উপর একটি ফোনের পারফর্ম্যান্স নির্ভর করে । বিশেষ করে যারা কিনা গেমিং করে থাকেন ফোন দিয়ে তাদের জন্য পারফর্ম্যান্সের ব্যাপারটি সবচেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ । বাজারে এখন গেমিং প্রসেসর সম্পন্ন ফোনের অভাব নেই ।

সবশেষে আসে, চার্জার এবং ব্যাটারীঃ
একটি ফোন চার্জ করতে যতো কম সময় লাগবে ব্যবহারকারীর ঠিক ততো সময় সাশ্রয় হবে । তার পাশাপাশী একটু বড় ব্যাটারী ব্যাক আপ পেলে তো কথাই নেই । তার সাথে ব্যাটারী কোয়ালিটি , পোর্ট টাইপ এসকল ব্যাপারগুলো নজরে রাখতে হবে ।